Meta Trader— প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় ইরানে টানা ১২তম রাতের মতো নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর এই অভিযানের সমাপ্তি নিশ্চিত করেছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত ও সংশ্লিষ্ট তথ্যসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:
- হামলার লক্ষ্যবস্তু: মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নৌ সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুত কেন্দ্র, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।”
- চলতি মাসের অভিযান: সেন্টকম আরও জানায়, জুলাই মাসজুড়ে মার্কিন বাহিনী ইরানের ভূখণ্ডের ডজনখানেক সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর পাশাপাশি সমুদ্রে দেশটির বিরুদ্ধে পুনরায় অবরোধ গড়ে তুলেছে।
- হামলার সময়সীমা: রয়টার্সকে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সর্বশেষ এই দফায় হামলা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে স্থায়ী হয়।
- যুদ্ধের সূত্রপাত: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালালে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি ধারণকারী পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়।
- হতাহতের চিত্র: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা এবং লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফলে এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
- মার্কিন ক্ষতি: সম্প্রতি সংঘটিত সংঘাতগুলোতে মার্কিন সৈন্য নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
- ট্রাম্পের নতুন হুমকি: বুধবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালীতে কোনো জাহাজে আঘাত হানে, তবে তার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি করে সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস করে দেবে। এর আগেও তিনি ইরানের জ্বালানি কেন্দ্র ও সেতুতে আঘাত হানার হুমকি দিয়েছিলেন।
- ইরানের হুঁশিয়ারি: রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড সতর্ক করে জানিয়েছে—মার্কিন হুমকি বাস্তবায়ন করা হলে তাদের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে।
- আন্তর্জাতিক আইন ও যুদ্ধাপরাধের ঝুঁকি: যুদ্ধের মানবিক আচরণ সম্পর্কিত ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী বেসামরিক জনসংখ্যার জন্য অপরিহার্য স্থাপনায় হামলা চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
- বিশেষজ্ঞদের মতামত: ট্রাম্পের পূর্ববর্তী হুমকির প্রেক্ষিতে এ বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, এ ধরনের অবকাঠামোতে আক্রমণ যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে। এর আগে ইরানের সমগ্র সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের দেওয়া এক হুমকির তীব্র বৈশ্বিক নিন্দা জানানো হয়েছিল।
ইরানে টানা ১২তম রাতের মতো মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিমান হামলা
ওয়াশিংটন, ২২ জুলাই (রয়টার্স) — প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনায় ইরানে টানা ১২তম রাতের মতো নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর এই অভিযানের সমাপ্তি নিশ্চিত করেছে।
ঘটনাটির বিস্তারিত ও সংশ্লিষ্ট তথ্যসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:
- হামলার লক্ষ্যবস্তু: মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের নৌ সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুত কেন্দ্র, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।”
- চলতি মাসের অভিযান: সেন্টকম আরও জানায়, জুলাই মাসজুড়ে মার্কিন বাহিনী ইরানের ভূখণ্ডের ডজনখানেক সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর পাশাপাশি সমুদ্রে দেশটির বিরুদ্ধে পুনরায় অবরোধ গড়ে তুলেছে।
- হামলার সময়সীমা: রয়টার্সকে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সর্বশেষ এই দফায় হামলা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে স্থায়ী হয়।
- যুদ্ধের সূত্রপাত: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালালে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি ধারণকারী পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়।
- হতাহতের চিত্র: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা এবং লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফলে এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
- মার্কিন ক্ষতি: সম্প্রতি সংঘটিত সংঘাতগুলোতে মার্কিন সৈন্য নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
- ট্রাম্পের নতুন হুমকি: বুধবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালীতে কোনো জাহাজে আঘাত হানে, তবে তার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি করে সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস করে দেবে। এর আগেও তিনি ইরানের জ্বালানি কেন্দ্র ও সেতুতে আঘাত হানার হুমকি দিয়েছিলেন।
- ইরানের হুঁশিয়ারি: রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড সতর্ক করে জানিয়েছে—মার্কিন হুমকি বাস্তবায়ন করা হলে তাদের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে।
- আন্তর্জাতিক আইন ও যুদ্ধাপরাধের ঝুঁকি: যুদ্ধের মানবিক আচরণ সম্পর্কিত ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী বেসামরিক জনসংখ্যার জন্য অপরিহার্য স্থাপনায় হামলা চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
- বিশেষজ্ঞদের মতামত: ট্রাম্পের পূর্ববর্তী হুমকির প্রেক্ষিতে এ বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, এ ধরনের অবকাঠামোতে আক্রমণ যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে। এর আগে ইরানের সমগ্র সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের দেওয়া এক হুমকির তীব্র বৈশ্বিক নিন্দা জানানো হয়েছিল।