এফএম ইন্টেলিজেন্সের ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (Q2) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসি মার্কেটস (EC Markets) এবং টিএমজিএম (TMGM) সর্বোচ্চ গড় মাসিক লেনদেনের রেকর্ড গড়েছে।
অন্যান্য ব্রোকারগুলোর সামগ্রিক ট্রেডিং ভলিউম বা লেনদেনের পরিমাণ আগের প্রান্তিকের রেকর্ড উচ্চতা থেকে কিছুটা হ্রাস পেলেও, এই দুটি প্রতিষ্ঠান নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এফএম ইন্টেলিজেন্সের তথ্যমতে, ইসি মার্কেটস সর্বোচ্চ ২.১১ ট্রিলিয়ন ডলার গড় মাসিক লেনদেন রেকর্ড করে শীর্ষ অবস্থান অর্জন করেছে। প্রথম প্রান্তিকে (Q1) তাদের এই হার ছিল ১.৭১ ট্রিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে, সিডনিভিত্তিক অনলাইন ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান টিএমজিএম গড় মাসিক লেনদেনের পরিমাণ রেকর্ড করেছে ২.০৩ ট্রিলিয়ন ডলার। এফএম ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, এটিই প্রথমবার যখন একই প্রান্তিকে দুটি প্রতিষ্ঠান একসাথে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করার গৌরব অর্জন করল।
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২ ট্রিলিয়ন ডলারের কোটায় জোড়া ব্রোকার
বিগত কয়েক প্রান্তিক ধরেই বাজার এই মাইলফলকের দিকে এগোচ্ছিল। এফএম ইন্টেলিজেন্সের ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছিল, তাদের পর্যবেক্ষণাধীন ব্রোকারদের মধ্যে প্রথমবারের মতো কোনো একটি একক প্রতিষ্ঠান ২ ট্রিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরিয়েছিল। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে এবার দুটি প্রতিষ্ঠান একসাথে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছে।
২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত মাল্টি-অ্যাসেট ব্রোকার ইসি মার্কেটস জানায়, দ্বিতীয় প্রান্তিকে তাদের মোট লেনদেনের পরিমাণ পৌঁছেছে ৬.৩৪ ট্রিলিয়ন ডলারে, যা আগের তিন মাসের তুলনায় ২৩.৬% বেশি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে সক্রিয় ট্রেডারের সংখ্যা প্রায় ৩,২২,০০০। তবে এই আর্থিক তথ্যগুলো ব্রোকারটির নিজস্ব এবং এগুলো কোনো স্বাধীন নিরীক্ষা (Audit) দ্বারা যাচাইকৃত নয়।
শীর্ষ সারির ব্রোকারেজ পুনর্গঠন ও ইসি মার্কেটসের উত্থান
বাজারের শীর্ষ স্থানগুলোতে দ্রুত পরিবর্তন আসছে। এফএম ইন্টেলিজেন্সের খাতের তুলনামূলক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে ইসি মার্কেটস ও টিএমজিএম-এর মাসিক লেনদেন ছিল যথাক্রমে ১.৪৯ ট্রিলিয়ন ও ১.৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার। যেখানে তৎকালীন বাজারনেতা আইসি মার্কেটস (IC Markets) এবং জাস্টমার্কেটস (JustMarkets – ১.২৪ ট্রিলিয়ন ডলার) তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি করেছিল।
মাত্র দুই প্রান্তিকের ব্যবধানে ইসি মার্কেটস সবাইকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে এবং টিএমজিএম-ও তাদের অনুসরণ করে ২ ট্রিলিয়নের ঘরে প্রবেশ করেছে।
এফএম ইন্টেলিজেন্স চলতি বছর তাদের ব্রোকার ভলিউম ডেটাসেট সম্প্রসারিত করে ২৬৫টি কোম্পানিতে উন্নীত করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত এক বছরে মোট ৮৪.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লেনদেন সম্পন্ন করেছে এবং তাদের সম্মিলিত সক্রিয় অ্যাকাউন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১.৭৭ কোটিতে (১৭.৭ মিলিয়ন)।
প্রধান পরিসংখ্যানের এক নজর (দ্বিতীয় প্রান্তিক ২০২৬)
| সূচক / বিবরণ | ইসি মার্কেটস (EC Markets) | টিএমজিএম (TMGM) |
| গড় মাসিক লেনদেন (Monthly Vol) | $২.১১ ট্রিলিয়ন \vert{} $২.০৩ ট্রিলিয়ন | |
| প্রান্তিকভিত্তিক মোট লেনদেন (Q2 Total) | $৬.৩৪ ট্রিলিয়ন | — |
| ত্রৈমাসিক বৃদ্ধি (Quarterly Growth) | +২৩.৬% | — |
| মোট সক্রিয় ট্রেডার (Active Traders) | ৩,২২,০০০ জন | — |
সামগ্রিক বাজার ভলিউমে কিছুটা মন্দাভাব
ইসি মার্কেটসের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি যখন ঊর্ধ্বমুখী, তখন পুরো ব্রোকারেজ খাতের সামগ্রিক লেনদেনে কিছুটা পতন দেখা গেছে। পর্যবেক্ষণাধীন ব্রোকারগুলোর মোট লেনদেন আগের প্রান্তিকের রেকর্ড ৩৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৩০.৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ধারাবাহিক রেকর্ড লেনদেনের পর এটিই প্রথম মন্দা।
খুচরা ফরেক্স (Retail FX) এবং সিএফডি (CFD) ট্রেডিংয়ে রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন ও নতুন গ্রাহক অ্যাকাউন্ট তৈরির যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, তা কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ার কারণেই এই সংশোধন দেখা দিয়েছে।
পিডিএফ প্রতিবেদন থেকে লাইভ ফিডে রূপান্তর
২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের এই উপাত্তগুলোই ফিন্যান্স ম্যাগনেটস কোয়ার্টারলি ইন্টেলিজেন্স রিপোর্টের চূড়ান্ত ‘পিডিএফ’ সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের দীর্ঘদিনের এই পিডিএফ প্রকাশনা বন্ধ করে এখন থেকে চলমান বা ‘লাইভ ডেটা সার্ভিস’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এখন থেকে ব্রোকারদের লেনদেনের পরিমাণ, র্যাঙ্কিং, বাজার বিশ্লেষণ এবং খাতভিত্তিক তথ্য ‘ফিন্যান্স ম্যাগনেটস ডেটা ল্যাব’-এ সার্বক্ষণিক হালনাগাদ করা হবে, যা আগে প্রতি তিন মাস পর পর প্রকাশ করা হতো।
দ্বিতীয় প্রান্তিকে দুই ব্রোকারের মাসিক লেনদেন ২ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম: এফএম ইন্টেলিজেন্স
এফএম ইন্টেলিজেন্সের ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (Q2) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসি মার্কেটস (EC Markets) এবং টিএমজিএম (TMGM) সর্বোচ্চ গড় মাসিক লেনদেনের রেকর্ড গড়েছে।
অন্যান্য ব্রোকারগুলোর সামগ্রিক ট্রেডিং ভলিউম বা লেনদেনের পরিমাণ আগের প্রান্তিকের রেকর্ড উচ্চতা থেকে কিছুটা হ্রাস পেলেও, এই দুটি প্রতিষ্ঠান নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এফএম ইন্টেলিজেন্সের তথ্যমতে, ইসি মার্কেটস সর্বোচ্চ ২.১১ ট্রিলিয়ন ডলার গড় মাসিক লেনদেন রেকর্ড করে শীর্ষ অবস্থান অর্জন করেছে। প্রথম প্রান্তিকে (Q1) তাদের এই হার ছিল ১.৭১ ট্রিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে, সিডনিভিত্তিক অনলাইন ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান টিএমজিএম গড় মাসিক লেনদেনের পরিমাণ রেকর্ড করেছে ২.০৩ ট্রিলিয়ন ডলার। এফএম ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, এটিই প্রথমবার যখন একই প্রান্তিকে দুটি প্রতিষ্ঠান একসাথে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করার গৌরব অর্জন করল।
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২ ট্রিলিয়ন ডলারের কোটায় জোড়া ব্রোকার
বিগত কয়েক প্রান্তিক ধরেই বাজার এই মাইলফলকের দিকে এগোচ্ছিল। এফএম ইন্টেলিজেন্সের ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছিল, তাদের পর্যবেক্ষণাধীন ব্রোকারদের মধ্যে প্রথমবারের মতো কোনো একটি একক প্রতিষ্ঠান ২ ট্রিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরিয়েছিল। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে এবার দুটি প্রতিষ্ঠান একসাথে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছে।
২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত মাল্টি-অ্যাসেট ব্রোকার ইসি মার্কেটস জানায়, দ্বিতীয় প্রান্তিকে তাদের মোট লেনদেনের পরিমাণ পৌঁছেছে ৬.৩৪ ট্রিলিয়ন ডলারে, যা আগের তিন মাসের তুলনায় ২৩.৬% বেশি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে সক্রিয় ট্রেডারের সংখ্যা প্রায় ৩,২২,০০০। তবে এই আর্থিক তথ্যগুলো ব্রোকারটির নিজস্ব এবং এগুলো কোনো স্বাধীন নিরীক্ষা (Audit) দ্বারা যাচাইকৃত নয়।
শীর্ষ সারির ব্রোকারেজ পুনর্গঠন ও ইসি মার্কেটসের উত্থান
বাজারের শীর্ষ স্থানগুলোতে দ্রুত পরিবর্তন আসছে। এফএম ইন্টেলিজেন্সের খাতের তুলনামূলক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে ইসি মার্কেটস ও টিএমজিএম-এর মাসিক লেনদেন ছিল যথাক্রমে ১.৪৯ ট্রিলিয়ন ও ১.৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার। যেখানে তৎকালীন বাজারনেতা আইসি মার্কেটস (IC Markets) এবং জাস্টমার্কেটস (JustMarkets – ১.২৪ ট্রিলিয়ন ডলার) তীব্র প্রতিযোগিতা তৈরি করেছিল।
মাত্র দুই প্রান্তিকের ব্যবধানে ইসি মার্কেটস সবাইকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে এবং টিএমজিএম-ও তাদের অনুসরণ করে ২ ট্রিলিয়নের ঘরে প্রবেশ করেছে।
এফএম ইন্টেলিজেন্স চলতি বছর তাদের ব্রোকার ভলিউম ডেটাসেট সম্প্রসারিত করে ২৬৫টি কোম্পানিতে উন্নীত করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত এক বছরে মোট ৮৪.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লেনদেন সম্পন্ন করেছে এবং তাদের সম্মিলিত সক্রিয় অ্যাকাউন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১.৭৭ কোটিতে (১৭.৭ মিলিয়ন)।
প্রধান পরিসংখ্যানের এক নজর (দ্বিতীয় প্রান্তিক ২০২৬)
| সূচক / বিবরণ | ইসি মার্কেটস (EC Markets) | টিএমজিএম (TMGM) |
| গড় মাসিক লেনদেন (Monthly Vol) | $২.১১ ট্রিলিয়ন \vert{} $২.০৩ ট্রিলিয়ন | |
| প্রান্তিকভিত্তিক মোট লেনদেন (Q2 Total) | $৬.৩৪ ট্রিলিয়ন | — |
| ত্রৈমাসিক বৃদ্ধি (Quarterly Growth) | +২৩.৬% | — |
| মোট সক্রিয় ট্রেডার (Active Traders) | ৩,২২,০০০ জন | — |
সামগ্রিক বাজার ভলিউমে কিছুটা মন্দাভাব
ইসি মার্কেটসের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি যখন ঊর্ধ্বমুখী, তখন পুরো ব্রোকারেজ খাতের সামগ্রিক লেনদেনে কিছুটা পতন দেখা গেছে। পর্যবেক্ষণাধীন ব্রোকারগুলোর মোট লেনদেন আগের প্রান্তিকের রেকর্ড ৩৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৩০.৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ধারাবাহিক রেকর্ড লেনদেনের পর এটিই প্রথম মন্দা।
খুচরা ফরেক্স (Retail FX) এবং সিএফডি (CFD) ট্রেডিংয়ে রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন ও নতুন গ্রাহক অ্যাকাউন্ট তৈরির যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, তা কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ার কারণেই এই সংশোধন দেখা দিয়েছে।
পিডিএফ প্রতিবেদন থেকে লাইভ ফিডে রূপান্তর
২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের এই উপাত্তগুলোই ফিন্যান্স ম্যাগনেটস কোয়ার্টারলি ইন্টেলিজেন্স রিপোর্টের চূড়ান্ত ‘পিডিএফ’ সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের দীর্ঘদিনের এই পিডিএফ প্রকাশনা বন্ধ করে এখন থেকে চলমান বা ‘লাইভ ডেটা সার্ভিস’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এখন থেকে ব্রোকারদের লেনদেনের পরিমাণ, র্যাঙ্কিং, বাজার বিশ্লেষণ এবং খাতভিত্তিক তথ্য ‘ফিন্যান্স ম্যাগনেটস ডেটা ল্যাব’-এ সার্বক্ষণিক হালনাগাদ করা হবে, যা আগে প্রতি তিন মাস পর পর প্রকাশ করা হতো।